ঢাকায় জ্বালানি তেলের সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রাইড শেয়ারিং ও ডেলিভারি পেশার সঙ্গে যুক্ত বাইকাররা। প্রতিদিন দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অল্প পরিমাণ তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে তাদের কর্মঘণ্টা, ব্যাহত হচ্ছে পেশাগত দায়িত্ব এবং কমছে আয়।
রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে ফ্রোজেন ফুড ডেলিভারির কাজ করেন আবু বকর সিদ্দিকী। তিনি বলেন, “আমার প্রতিদিন ভাত খাওয়ার মতোই তেল প্রয়োজন। কিন্তু, প্রতিদিন দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ৩০০ টাকার তেল পেতে হচ্ছে। ফলে, আমার কাজের সময় নষ্ট হচ্ছে।”
তৌহিদুর রহমান, যিনি রাইড শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে সংসার চালান, জানান, প্রতিদিন চার লিটার তেল প্রয়োজন হলেও তা পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, “আমাদের ইনকাম কমে যাচ্ছে, ফলে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।”
মো. আল-আমিন, একটি ওষুধ কোম্পানির ডেলিভারি কর্মী, বলেন, “দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লাইনে দাঁড়িয়ে দুই ঘণ্টা পর তেল পেয়েছি ৩০০ টাকার। অনুরোধ করলেও ৫০০ টাকার তেল দেয়নি।”
ইরান যুদ্ধের জেরে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে, যদিও সরকার সংকট অস্বীকার করছে। তবে বাস্তবে, যানবাহন চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।
মিরপুরের বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান বলেন, “সরকার বলছে তেলের কোনও ঘাটতি নেই। তাহলে কেন পাম্পগুলো থেকে এভাবে অল্প পরিমাণে তেল দেওয়া হচ্ছে?”

