মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ইসলামাবাদে আয়োজিত কূটনৈতিক অভ্যর্থনায় কেক কাটলেন পাকিস্তানের জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণা বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী রানা তানভীর হোসেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলের শীষমহল বলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান ও তার সহধর্মিনী নাহিদ রওশন এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তারা অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান। অনুষ্ঠানে সাত শতাধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ছিলেন সিনেটর, জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, পাকিস্তান সরকারের বেসামরিক ও সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
অনুষ্ঠানস্থলটি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পর্যটন তুলে ধরে ব্যানার, স্ট্যান্ডিজ, লোকজ শিল্পপণ্য, ফুল ও আলোকসজ্জায় সাজানো হয়। অতিথিরা বাংলাদেশের উন্নয়নচিত্র প্রদর্শিত বিভিন্ন উপকরণ আগ্রহ নিয়ে পরিদর্শন করেন।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান স্বাগত বক্তব্যে দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান ও নৌ যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, পর্যটন, সংস্কৃতি, শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি সমর্থন কামনা করেন।
পাকিস্তানের ফেডারেল মন্ত্রী রানা তানভীর হোসেন তার বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশটির সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে হাইকমিশনার কেক কাটেন।

