ঢাকার আসাদগেটের একটি ফিলিং স্টেশনে বুধবার সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষার পর জ্বালানি তেল পান ফারুক মোল্লা। তিনি জানান, ৩০ বছরের চালক জীবনে এমন সংকট আগে দেখেননি।
বাংলাদেশে পেট্রোল ও অকটেনের সংকটের মূল কারণ অতিরিক্ত চাহিদা। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এবং ক্রেতারা অবৈধ মজুদ করার চেষ্টা করছে। ফলে পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের চাহিদা বেড়ে গেছে, যা সংকট সৃষ্টি করছে।
বাংলাদেশে নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্র থেকে কনডেনসেট প্রক্রিয়াজাত করে পেট্রোল ও অকটেন উৎপাদন করা হয়। সিলেট গ্যাস ফিল্ডের দুটি প্ল্যান্ট এবং চারটি বেসরকারি রিফাইনারি এই উৎপাদন প্রক্রিয়ায় যুক্ত।
দেশে পেট্রোলের চাহিদা বছরে চার লাখ ৬২ হাজার টন এবং অকটেনের চাহিদা চার লাখ ১৫ হাজার টন। নিজস্ব উৎপাদন ও ক্রুড অয়েল থেকে ইস্টার্ন রিফাইনারি পরিশোধন করে পেট্রোল আমদানির প্রয়োজন হয় না।
ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের বাজারে প্রভাব পড়েছে। সরকার জানিয়েছে, মে মাস পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মজুদ নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া, অবৈধ মজুদকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, সরকার দৈনিক ১৬০ কোটি টাকা জ্বালানি তেলে ভর্তুকি দিচ্ছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

